![]() |
||||
| E-newsletter: March 2025 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
সম্প্রতি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, জাপান টোব্যাকো, লোকালি ওনড সিগারেট ম্যানুফেকচারার্স মালিক সমিতি এবং বাংলাদেশ বিড়ি মালিক সমিতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সাথে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশগ্রহণ করে নিজ নিজ দাবি তুলে ধরেছে। সিগারেট কোম্পানিগুলোর দাবি বাজেটে সিগারেটের দাম বাড়ালে চোরাচালান ও অবৈধ বাণিজ্য বাড়বে এবং সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হারাবে। বিশ্বব্যাংক কৃর্তক প্রকাশিত Confronting Illicit Tobacco Trade: A Global Review of Country Experiences শীর্ষক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য ২৭টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম মাত্র ১.৮ শতাংশ এবং তামাকে বর্ধিত করারোপের সাথে অবৈধ বাণিজ্য বা চোরাচালান বৃদ্ধির তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্যমতে, যেসব দেশে সিগারেট সবচেয়ে সস্তা বাংলাদেশ তারমধ্যে অন্যতম। এমনকি প্রতিবেশী ভারতে সবচেয়ে কমদামি সিগারেটের মূল্য বাংলাদেশের কমদামি সিগারেটের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। সুতরাং বাংলাদেশে সিগারেটের দাম বাড়ালে সিগারেটের ব্যাপক চোরাচালান কিংবা অবৈধ বাণিজ্য বাড়বে তা সঠিক নয়। বিড়ি শ্রমিকের সংখ্যা ১৮ লক্ষ দাবি করে বিড়ির ওপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ বিড়ি মালিক সমিতি। তবে খোদ এনবিআর পরিচালিত ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে বিড়ি শিল্পে কর্মরত নিয়মিত, অনিয়মিত এবং চুক্তিভিক্তিক মিলিয়ে পূর্ণসময় কাজ করার সমতুল্য শ্রমিক সংখ্যা মাত্র ৪৬ হাজার ৯১৬ জন। |
||||
![]() | ||||