জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
“২০১৩ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন এবং ২০১৫ সালের বিধি অনুসরণ করে আগামী মার্চ মাস থেকে আমরা তামাকজাত পণ্যের মোড়কে ছবিসম্বলিত সতর্কবার্তা সংযোজন করতে যাচ্ছি”, প্রধানমন্ত্রী, সাউথ এশিয়ান স্পিকার সামিট। তামাক কোম্পানি যতই গড়িমসি করুক না কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুসারে আইন মেনেই তামাক কোম্পানিগুলোকে আগামী ১৯ মার্চের মধ্যে সকল তামাকজাত পণ্যের মোড়কে ছবিসহ সতর্কবাণী বাস্তবায়ন করতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চয়ই তামাক কোম্পানির বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে কান না দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি পুরণে তৎপর হবে। লালমনিরহাটে সরকারি (বরেন্দ্র) সেচ প্রকল্পের পানি তামাক চাষে ব্যবহার করা হচ্ছে। কৃষকের নামে তামাক কোম্পানিই সেচের অর্থ পরিশোধ করছে। একইসাথে তথাকথিত “ফারমার্স ক্লাব” ক্লাব গঠন করে তারা কৃষকদের তামাক চাষে উদ্বুদ্ধ করছে। সাউথ এশিয়ান স্পিকার সামিট এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণায়ের অধীন তামাকচাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে, যার লক্ষ্য হবে তামাকচাষ প্রসারের ব্যপকতা হ্রাস ও খাদ্য নিরাপত্তায় হুমকি মোকাবেলা। তামাকচাষ সম্প্রসারণ ও খাদ্য নিরাপত্তায় হুমকি সৃষ্টির জন্য তামাক কোম্পানিই সবচেয়ে বেশি দায়ী। তামাক কোম্পানির আগ্রাসন রুখতে আশা করি এই আইনে এফসিটিসি’র আর্টিক্যাল ৫.৩ অনুসরণ করা হবে। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা প্রণয়নের কথাও বলেছেন। আমাদের বিশ্বাস এই নীতিমালা প্রণয়নেও আর্টিক্যাল ৫.৩ পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করা হবে। সর্বোপরি ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চাইলে অবশ্যই তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
|