![]() |
||||
| E-newsletter: January 2017 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের পূর্বেই তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এলক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বেশকিছু নীতিমালা প্রণয়নের কাজ হাতে নিয়েছে, তামাকচাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা তার মধ্যে অন্যতম। কিন্তু পরিতাপের বিষয় খোদ কৃষি মন্ত্রণালয়ই তামাক কোম্পানির প্রভাবমুক্ত নয়। সম্প্রতি একটি নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে মন্ত্রণালয়টি দীর্ঘদিনযাবত কার্যত তামাক কোম্পানির এজেন্ডা বাস্তবায়ন অর্থাৎ তামাকচাষ বৃদ্ধিতে নানাবিধ প্রণোদনা প্রদান করে আসছে। যা, গোটা অর্থনীতি বিশেষ করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, বনজসম্পদ, পরিবেশ-প্রতিবেশ, মাটির স্বাস্থ্য প্রভৃতির জন্য হুমকিস্বরূপ। এছাড়া অতি সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘Consequences of Tobacco Cultivation in Bangladesh’ শীর্ষক একটি গবেষণা কাজ শেষ হয়েছে এবং এই গবেষণার ফলাফল ব্যবহার করে বর্তমানে তামাকচাষ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা তৈরির কাজ চলছে। তামাকবিরোধীদের ধারণা একাজে তামাক কোম্পানির অন্তর্ভুক্তি রয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমান কৃষি সচিব ২০১২ থেকে বিএটিবি’র ইনডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ বিষয়ে তামাকবিরোধীরা দীর্ঘদিন যাবত বলে আসলেও সংশ্লিষ্টরা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেনা। তামাক কোম্পানির এসব আগ্রাসন নিয়ন্ত্রণে এফসিটিসি’র আর্টিকেল ৫.৩ এর আলোকে নীতিমালা প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ রুখতে না পারলে তামাকের ব্যবহার নির্মূল করা সম্ভব হবেনা। |
||||
![]() | ||||