![]() |
||||
| E-newsletter: February 2017 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
তামাকপণ্যের মোড়কে সতর্কবাণী মুদ্রণ সংক্রান্ত অন্তর্বর্তীকালীন গণবিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে সম্প্রতি তামাক বিরোধী কয়েকটি সংগঠন একটি রিট আবেদন করলে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ‘অ্যাশ বাংলাদেশ’ নামে একটি ভূঁইফোড় তামাকবিরোধী সংগঠনের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সতর্কবানী মুদ্রণ বহাল রাখে। বাংলাদেশে তামাককোম্পানির এ ধরনের হস্তক্ষেপ এই প্রথম। উল্লেখ্য, তামাকপণ্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণে বাধ্যবাধকতাসহ ২০১৩ সালে সংশোধিত আকারে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন (২০০৫) পাশ করা হয়। কিন্তু তামাককোম্পানির হস্তক্ষেপের কারণে এসংক্রান্ত বিধিমালা চূড়ান্ত করতে ২২মাস সময় লাগে। বিধিমালা অনুযায়ী ১৯ মার্চ ২০১৬ থেকে সকল তামাকপণ্যের মোড়কের উপরিভাগে ৫০ শতাংশ জায়গা জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু তামাক কোম্পানির অব্যাহত হস্তক্ষেপের ফলে শেষ পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তীকালীন গণবিজ্ঞপ্তির পক্ষে মত দেয় আইন মন্ত্রণালয়। প্রায় ১১ মাস পরেও অন্তর্বর্তীকালীন গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার না করায় তামাকবিরোধীরা আদলতের আশ্রয় নিলে তামাক কোম্পানিগুলো সুকৌশলে তামাকবিরোধী সংগঠনের ছদ্মবেশে এধরনের হস্তক্ষেপ চালায়। তামাক কোম্পানির এধরনের জনস্বাস্থ্যবিরোধী আগ্রাসণ নিয়ন্ত্রণে এফসিটিসি’র আর্টিকেল ৫.৩ এর আলোকে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন তাই এখন সময়ের দাবি। |
||||
![]() | ||||