![]() |
||||
| E-newsletter: April 2018 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
মৃত্যুবিপণন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে বিএটিবি এখন দেশের প্রধান ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই), মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এমসিসিআই), ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) এর মত দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠনসমূহের নেতৃস্থানীয় পদে রয়েছে বিএটিবি’র একাধিক কর্মকর্তা। এছাড়াও ব্যবসায়িক গোষ্ঠীকে নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইপিএবি) এর নির্বাহী কমিটিতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যয়ের প্রতিনিধিবৃন্দের পাশাপাশি বিএটিবি’র দুইজন কর্মকর্তা রয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করা এবং নানাবিধ ব্যবসায়িক সুবিধা আদায় করার লক্ষ্যেই মূলত বিএটিবি এসব প্রভাবশালী সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়েছে। আসন্ন ২০১৮-১৯ বাজেটকে প্রভাবিত করতে ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের ব্যানারে একাধিকবার এনবিআর এর সাথে প্রাক-বাজেট বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে এবং নিজেদের দাবি তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে। এছাড়া মোটা অংকের কর ফাঁকি এবং প্রাপ্য কর প্রদান না করেও কোম্পানিটি বহাল তবিয়াতে ব্যবসা করে যাচ্ছে। ১৯২৪ কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়ে আদালতের বাইরে সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়াও গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত ৮ মাসে বিএটিবি নিম্নস্তরের সিগারেটে সরকারের প্রাপ্য অতিরিক্ত ১হাজার ৬শ ১৮ কোটি টাকার রাজস্ব প্রদান করেনি এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপও গ্রহণ করেনি। |
||||
![]() | ||||