![]() |
||||
| E-newsletter: June 2020 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
জাতীয় বাজেটে তামাক কর ও মূল্যবৃদ্ধি প্রভাবিত করতে তামাক কোম্পানিগুলো বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকে। বিশেষ করে গবেষক, অথনীতিবিদ এবং সাংসদের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট কেন্দ্রিক কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এসব বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একটি অংশ সিগারেটের নিম্ন স্তরে কর না বাড়িয়ে মূল্যবৃদ্ধির জন্য বহুজাতিক কোম্পানির পক্ষে এবং আরেকটি গ্রুপ নিম্নস্তরের সিগারেট উৎপাদন শতভাগ দেশিয় কোম্পানির জন্য রিজার্ভ রাখার পক্ষে কাজ করেছে । বিড়ির কর ও দাম না বাড়ানোর পক্ষে কাজ করেছে অন্য একটি গ্রুপ। কোম্পানিগুলোর সহায়তায় অসংখ্য আর্টিক্যাল, মতামত এবং প্রতিবেদন প্রচার/প্রকাশ করা হয়েছে এবং জাতীয় সংসদেও ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। প্রকাশিত নিউজ আইটেমগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে বহুজাতিক কোম্পানির পক্ষে সবগুলো লেখা প্রায় একইরকম শুধু লেখক (গবেষক, অর্থনীতিবিদ) এবং মিডিয়া হাউজ আলাদা। দেশি সিগারেট উৎপাদক এবং বিড়ির ক্ষেত্রেও একই চিত্র। সকলক্ষেত্রেই ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এবারের বাজেটে তামাক নিয়ন্ত্রণের পরীক্ষিত হাতিয়ার তামাক কর ও মূল্য পদক্ষেপকে অকার্যকরভাবে বাস্তবায়নে প্ররোচিত করে মৃত্যুবিপণনের চেষ্টায় বেশ খানিকটা সফল হয়েছে তামাক কোম্পানিগুলো। প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনা অনুযায়ী একটি সহজ তামাককর নীতি বাস্তবায়ন এবং কোম্পানির হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় খসড়া আর্টিক্যাল ৫.৩ এর বাস্তবায়নই হতে পারে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনের কার্যকর পথ। |
||||
![]() | ||||