![]() |
||||
| E-newsletter: September 2020 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
শুল্ক কমানোর দাবিতে নাম সর্বস্ব কিছু সংগঠনের ব্যানারে দেশব্যাপী মানববন্ধন এবং সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করছে বিড়ি কোম্পানিগুলো। যদিও বিড়ির ওপর এ নিয়ে টানা ৪র্থ অর্থবছরের মতো কোন শুল্কই বাড়ানো হয়নি। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে মোট আটটি সংগঠনকে সামনে রেখে কোম্পানিগুলো গত সেপ্টেম্বরে ঢাকা, রংপুর, টাঙ্গাইল এবং সিলেটে কমপক্ষে ৪টি মানববন্ধন এবং ২টি সংবাদ সম্মেলন করেছে। এসব অনুষ্ঠানের খবর গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়েছে। শুল্ক কমানোর এই অযৌক্তিক দাবি আদায়ে এমনকি সংসদ সদস্যদেরকেও প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে কোম্পানিগুলো। সম্প্রতি ১০ জন সংসদ সদস্য এব্যাপারে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে বিড়ির উপর শুল্ক না কমালে করোনা মহামারিতে লক্ষ লক্ষ বিড়ি শ্রমিক বেকার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও সরকারের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গবেষণা বলছে,বাংলাদেশে বিড়ি কারখানায় কর্মরত নিয়মিত, অনিয়মিত এবং চুক্তিভিক্তিক মিলিয়ে পূর্ণসময় কাজ করার সমতুল্য শ্রমিক সংখ্যা মাত্র ৪৬ হাজার ৯১৬ জন। এবং, সরকারিভাবে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হলে ৭৮.৪ শতাংশ বিড়ি শ্রমিক এই ক্ষতিকর পেশা ছেড়ে দিতে চায় বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো তামাক ব্যবহার করোনা সংক্রমণকে ত্বরান্বিত করে মর্মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করলেও বাংলাদেশের সাংসদরা করোনার অজুহাত দেখিয়েই বিড়ির শুল্ক কমানোর অনুরোধ জানিয়েছেন যা একইসাথে প্রধানমন্ত্রীর তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের সাথে সাংঘর্ষিক। উল্লেখ, বাংলাদেশে বিড়ি অত্যন্ত সস্তা এবং নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে বিড়ির প্রচলন বেশি।
|
||||
![]() | ||||