জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
বিক্রি কম দেখিয়ে বড় অংকের কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ বিএটিবি’র বিরুদ্ধে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বলছে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিষয়টি সমাধান করা হবে। এর আগেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলা হয়েছে এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মাধ্যমে আদালতের বাইরে তা নিষ্পত্তির চেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে। পরিতাপের বিষয়, এধরনের অভিযোগ সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটিকে ২য় বারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ প্রদান করা হচ্ছে যা কার্যত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তামাকমুক্ত বাংলাদেশ ঘোষণার সাথে সাংঘর্ষিক। উল্লেখ্য, মহামান্য রাষ্ট্রপতির পদের বিপরীতে বিএটিবি’র শেয়ার রয়েছে। অন্যদিকে, মৃত্যুবিপণন চরিত্র আড়াল করতে এই মহামারির মধ্যেও ‘ব্যাটল অব মাইন্ডস ২০২১’ এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বিএটিবি । প্রতিযোগীদের আকৃষ্ট করতে এবছরে সিড ফান্ড প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই তারা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সমাজের উচ্চ পর্যায়ের লোকজনকে সম্পৃক্ত করতে সমর্থ হয়েছে। কোম্পানির ইমেজ বৃদ্ধি এবং তরুণদের তামাকে প্রলুদ্ধ করতে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্য আরেকটি উদ্যোগ প্রেরণা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমেও নিজেদের ইতিবাচক ইমেজ বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বিএটিবি। সম্প্রতি দুই জন সাংসদের সাক্ষাৎকারের প্রমোশনাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে কোম্পানিটি। আইন সংশোধন করে তামাক কোম্পানির প্রচার-প্রচারণাসহ সকল সিএসআর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। একইসাথে করফাঁকি রোধে একটি শক্তিশালী তামাক করনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
|