![]() |
||||
| E-newsletter: August 2021 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
তামাক নিয়ন্ত্রণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সঠিক বাস্তবায়ন না করে বরং উল্টো পথে হাঁটছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। সম্প্রতি গ্লোবাল টোব্যাকো লিমিটেড নামে একটি নতুন সিগারেট কারখানা উদ্বোধন করা হয়েছে ঈশ্বরদী রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়। গত বছর একই ইপিজেডে এশিয়ান টোব্যাকো নামে একটি সিগারেট কারখানা স্থাপনের চুক্তি করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ইপিজেডে কারখানা স্থাপন করলে সরকারের পক্ষ থেকে কোম্পানিকে ৫ থেকে ৭ বছর মেয়াদি ট্যাক্স হলিডে, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানি এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক মওকুফসহ নানাবিধ আর্থিক ও অন্যান্য প্রণোদনা প্রদান করা হয়ে থাকে। কাজেই ইপিজেডে তামাক কারখানা স্থাপন মানেই সরকারের পক্ষ থেকে তামাক ব্যবসায় প্রণোদনা দেয়া, যা একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এফসিটিসি চুক্তির শর্ত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০৪০ সালের মধ্যে তামাক-মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গণমাধ্যমের তথ্যমতে, আবারো শীর্ষ করদাতা হিসেবে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বাংলাদেশকে বিশেষ সম্মাননা সনদ প্রদান করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এভাবে প্রণোদনা এবং পুরস্কাররের মাধ্যমে তামাক ব্যবসা উৎসাহিত করে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জন করা কঠিন। অনতিবিলম্বে দেশে নতুন তামাক কারখানা স্থাপনের সুযোগ বন্ধ করতে হবে এবং তামাক কোম্পানিকে সরকারি পুরস্কার বা সম্মাননা প্রাপ্তির অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। |
||||
![]() | ||||