![]() |
||||
| E-newsletter: April 2022 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
করহার নয় কেবল ভিত্তিমূল্য বাড়িয়ে নিম্নস্তরের সিগারেটের দামবৃদ্ধির জন্য ব্যাপকভাবে ক্যাম্পেইন শুরু করেছে একটি বহুজাতিক তামাক কোম্পানি। কোম্পানিটি নিম্ন স্তরের সিগারেটের করহার ৫৭ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখে ১০ শলাকা সিগারেটের ভিত্তিমূল্য বা খুচরা মূল্য ৩৯ টাকা থেকে সামান্য বাড়িয়ে ৪৪/৪৫ টাকা করার দাবি জানাচ্ছে। তামাকবিরোধীদের দাবি যেহেতু সিগারেটে খুচরা মূল্যের উপর কর বসানো হয় অর্থাৎ খুচরা মূল্য করের ভিত্তিমূল্য হিসেবে কাজ করে সেহেতু কর না বাড়িয়ে শুধু খুচরা মূল্য বাড়ানো হলে বর্ধিত মূল্যের একটি উল্লেখ্যযোগ্য অংশ উক্ত কোম্পানির পকেটে চলে যাবে। উল্লেখ্য, নিম্ন স্তরের সিগারেটে কোম্পানিটির বর্তমান মার্কেট শেয়ার ৭৫ শতাংশেরও বেশি (পেজ নং ৩৫, টেবিল A1)। কাজেই কোম্পানি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কর না বাড়িয়ে শুধু খুচরা মূল্য বাড়ানো হলে কোন প্রকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ বা ঝুঁকি ছাড়াই ব্যাপকভাবে লাভবান হবে বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিটি। তবে তামাকবিরোধীদের প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে নিম্ন স্তরে দশ শলাকা সিগারেটের কর (সুনির্দিষ্ট) বাড়িয়ে ৬৫ শতাংশ এবং খুচরা মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হলে বর্ধিত মূল্যের পুরোটাই সরকারের কোষাগারে জমা পড়বে এবং তামাক কোম্পানি বাড়তি মুনাফার কোন সুযোগই পাবে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর উচিত হবে তামাক কোম্পানির প্রস্তাবে বিভ্রান্ত না হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনকে অগ্রাধিকার দেয়া। মনে রাখতে হবে তামাক কোম্পানিকে লাভবান রেখে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জন সম্ভব হবে না।
|
||||
![]() | ||||