![]() |
||||
| E-Newsletter: September 2022 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে নীতিনির্ধারকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে কোম্পানিগুলো। গত ১৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি চিঠি দিয়েছে জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প অ্যাসোসিয়েশন (নাসিব) যেখানে সংশোধনীর কতিপয় ধারা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছে সংগঠনটি। খসড়া সংশোধনীর কিছু উপধারা যেমন: সিগারেট এবং অন্যান্য তামাকজাত পণ্য বিক্রয়ের জন্য লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যবাধকতা, ভ্রাম্যমাণ দোকানে বা ফেরি করে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধকরণ, ধূমপানের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা বিলুপ্তিকরণ, বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্য প্রদর্শন এবং খুচরা শলাকা বিক্রি নিষিদ্ধকরণ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে নাসিব। তামাকের বহুমাত্রিক ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বর্তমান আইনকে ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ট্যোবাকো কন্ট্রল (এফসিটিসি) এর সাথে আরো বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ করার তাগিদ দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সে অনুযায়ী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে সরকারের এই প্রচেষ্টা নস্যাৎ করতে বিভিন্ন অপতৎপরতা শুরু করেছে কোম্পানিগুলো। আমাদের প্রত্যাশা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মন্ত্রণালয় দ্রুততম সময়ের মধ্যে খসড়া আইন চূড়ান্ত করবে। সম্প্রতি শুল্কমুক্ত কোটায় সিগারেট রপ্তানির সুবিধা চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি)। চিঠিতে, গত আগস্ট ২০২২ বাংলাদেশ—ভুটানের অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) অনুযায়ী ১০০টির বেশি পণ্য ভুটানে রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেখানে সিগারেটকেও অন্তর্র্ভূক্ত করার অনুরোধ করা হয়েছে। তবে তামাক ব্যবসা সম্প্রসারণে যেকোন প্রকারের সুবিধা প্রদান তামাকমুক্ত বাংলাদেশ ঘোষণার সাথে সাংঘর্ষিক। আমাদের প্রত্যাশা, সরকার বিএটিবি’র শুল্কমুক্ত কোটায় সিগারেট রপ্তানির সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন নাকচ করে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনের পথ সুগম করবে। |
||||
![]() | ||||