![]() |
||||
| E-Newsletter: December 2022 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
ফাউন্ডেশন ফর এ স্মোক—ফ্রি ওয়ার্ল্ড (এফএসএফডব্লিউ) এর সহায়তায় ধূমপানের ক্ষতি এবং বিকল্প উপাদানের সাহায্যে ক্ষতিকর প্রভাব কমানো বিষয়ে বাংলাদেশে গবেষণা করতে যাচ্ছে এনাম মেডিক্যাল কলেজ, অ্যাসোশিয়েশন ফর কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট (এসিই) এবং যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিশুর। উল্লেখ্য, ফাউন্ডেশন ফর এ স্মোক—ফ্রি ওয়ার্ল্ড বহুজাতিক তামাক কোম্পানি ফিলিপ মরিস (পিএমআই) এর অর্থপুষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান এবং সিশুর সংস্থাটি মূলত তামাক কোম্পানির পক্ষে গবেষণা করে থাকে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এবং এফসিটিসি সেক্রেটারিয়েট এর পক্ষ থেকে এধরনের জনস্বাস্থ্য বিরোধী সংস্থার সাথে সরকারি—বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত না হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়া সংশোধনী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর আগে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কামনা করে এনবিআর—কে একটি চিঠি দেয় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ। খসড়া সংশোধনী থেকে ই—সিগারেট এবং ভেপিং পণ্যের আমদানি, ক্রয়—বিক্রয় এবং বিপণন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত প্রস্তাব বাদ দিতে জোর প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেন্ডস্টা)। সংগঠনটি বলছে, কনজ্যুমার চয়েজ সেন্টার এর হিসেব অনুযায়ী ভেপিংয়ের প্রচলনে বাংলাদেশে ৬২ লাখের বেশি ধূমপায়ী প্রচলিত সিগারেট ছেড়ে ভেপিং—এ আসবে। অথচ কনজ্যুমার চয়েজ সেন্টার (সিসিসি) নিজেই তামাক কোম্পানির মদদপুষ্ট প্রতিষ্ঠান, যা জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল (জেটিআই) এবং ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনাল— এর কাছ থেকেও অর্থ গ্রহণ করে থাকে। খসড়া সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি প্রস্তাব সময়োপযোগী এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত জরুরি। আমাদের প্রত্যাশা, তামাক কোম্পানির অপতৎপরতায় বিভ্রান্ত না হয়ে সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে খসড়াটি চূড়ান্ত করবে। |
||||
![]() | ||||