![]() |
||||
| E-newsletter: April 2020 | ||||
|
|
||||
মৃত্যু বিপণন-১সবচেয়ে বেশি কর দেয় তামাক কোম্পানি: একটি মিথ!
তামাক করের সিংহভাগই পরিশোধ করেন ভোক্তা, তামাক কোম্পানি নয়। বিএটিবি’র ২০১৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কর বাবদ কোম্পানিটি সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে মোট ১৯ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা যার মধ্যে নিজেদের আয় থেকে প্রত্যক্ষ কর হিসেবে প্রদান করেছে মাত্র ৩৫৯ কোটি টাকা (তামাক রাজস্বের ১.৮৮%), বাকি ১৮৭৭৪ কোটি (৯৮.১২%) টাকাই পরোক্ষ হিসেবে ভোক্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করে কেবল সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কাজটি করেছে তারা। উল্লেখ্য, তামাক ব্যবসা থেকে কোম্পানিগুলো সরকারকে দুই ধরনের কর (প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ) মূলত তিন ভাবে প্রদান করে থাকে; (এক) কোম্পানির নিজস্ব আয় থেকে (প্রত্যক্ষ কর), (দুই) আমদানি/রপ্তানি পর্যায়ে কাস্টম ডিউটি (পরোক্ষ) হিসেবে এবং (তিন) তামাকপণ্য ব্যবহারকারী অর্থাৎ ভোক্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করে (পরোক্ষ কর)। ভ্যাট এবং সম্পূরক শুল্ক (পরোক্ষ কর) তামাক ব্যবহারকারী পরিশোধ করেন এবং এক্ষেত্রে তামাক কোম্পানি কেবল সংগ্রহকারীর দায়িত্ব পালন করে। কাস্টম ডিউটি যেহেতু একধরনের পরোক্ষ কর তাই এই করের বোঝাও তামাক কোম্পানিগুলো ভোক্তার উপরেই চাপিয়ে দেয়। সব মিলিয়ে তামাক করের সিংহভাগই পরিশোধ করে ভোক্তা । তামাক কোম্পানি সরকারকে বিশাল রাজস্ব প্রদান করে বিষয়টি মোটেও ঠিক নয়। আমাদের দাবি আসন্ন বাজেটে সকল তামাকপণ্যের দাম ও কর এমনভাবে বৃদ্ধি করা হোক যাতে জনগণ বিশেষত তরুণ ও গরিব জনগোষ্ঠী তামাক ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হয়। |
||||
![]() | ||||