![]() |
||||
| E-newsletter: August 2022 | ||||
|
|
||||
মৃত্যু বিপণন-১আইন সংশোধন ঠেকাতে ভেপিং গ্রুপের দৌঁড়-ঝাঁপ!
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো(বিএটি) এর ফ্রন্টগ্রুপ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ‘ভয়েস অব ভেপারস বাংলাদেশ’ সম্প্রতি ‘সেইভ ভেপিং, সেইভ বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত খসড়া সংশোধনী থেকে ই-সিগারেট এবং ভেপিং নিষিদ্ধের ধারা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ধূমপান ছাড়ার অন্যতম বিকল্প হিসেবে ভেপিংকে বেছে নিয়েছে, যা মোটেও সত্য নয়। বাস্তবতা হচ্ছে তরুণদের মধ্যে ভেপিং আসক্তি ঠেকাতে ইতোমধ্যে পৃথিবীর ৩২টি দেশ ভেপিং নিষিদ্ধ করেছে। ভয়েস অব ভেপারসের ওয়েবিনারে যে দু'জন কথিত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অংশ নিয়েছেন, তাদের একজন হলেন ডিলন হিউম্যান, যিনি ইতোপূর্বে তামাক কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে জাতিসংঘভুক্ত একটি সংস্থা থেকে বহিস্কৃত হয়েছেন এবং বর্তমানে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর পরামর্শক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। অপর বক্তা জন ডান ২০২০ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের ভেপিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন, যে সংস্থাটির সদস্যের মধ্যে আছে জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল (জেটিআই), ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (ব্যাট), ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনাল (পিএমআই)-এর মতো বহুজাতিক তামাক কোম্পানিগুলো। শুধু তাই নয়, অ্যাসোসিয়েশনটির আয়ের অন্তত ১৩ ভাগ তামাক কোম্পানিগুলোর ভেপিং ব্যবসা থেকে আসে বলে জানা গেছে। অথচ ওয়েবিনারে তারা কেউই তামাক কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেননি। কাজেই সরকারের উচিত হবে, তামাক কোম্পানির মদদপুষ্ট বিশেষজ্ঞদের দ্বারা বিভ্রান্ত না হয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশেও এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ করা। |
||||
![]() | ||||