![]() |
||||
| E-newsletter: November 2020 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল (জেটিআই) ফাউন্ডেশন এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘সুজলা’ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি সংস্থা সুইস কনটাক্ট সম্প্রতি চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় (ইপিজেড) এবং গাজীপুরের লক্ষীপুরা এলাকায় দুটি পানির বুথ স্থাপন করেছে। পানির বুথ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এবং জেটিআই বাংলাদেশ এর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তথাকথিত ‘বনায়ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ১৫ অর্জনে সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মযজ্ঞে নিজেদেরকে সহযোগী হিসেবে দাবি করে প্রচারণা চালাচ্ছে বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটিবি)। অতিসম্প্রতি কোম্পানিটি চুয়াডাঙ্গায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতের সাথে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা উদ্বোধন করেছে। বাংলাদেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তামাক কোম্পানির ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি- সিএসআর’ কার্যক্রম পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ না থাকায় তামাক কোম্পানিগুলো তাদের মৃত্যুবিপণন চরিত্র আড়াল করতে এভাবেই সিএসআর কার্যক্রমকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। বাংলাদেশে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত এক গবেষণায় দেখা গেছে তামাক কোম্পানিগুলো সিএসআর কর্মসূচির অজুহাতে নীতিনির্ধারক, সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রশাসনযন্ত্রের সাথে মিশে ব্যবসায়িক সুবিধা আদায় এবং তামাকনিয়ন্ত্রণ কর্মকান্ডে বাধা প্রদানের চেষ্টা করে এবং একইসাথে এসব সিএসআর কার্যক্রম ব্যাপকভাবে প্রচার করে জনমনে নিজেদের সর্ম্পকে ইতিবাচক মনোভাব তৈরির চেষ্টা করে থাকে। গবেষণার ফলাফলে আরো বলা হয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার থাকার পরও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত শিল্প মন্ত্রীর সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে জেটিআই ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা জাপান টোব্যাকো কর্তৃক বিপুল রাজস্ব প্রদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তামাকের ওপর ‘যৌক্তিক’ করারোপের অনুরোধ জানান। আইন সংশোধন করে তামাক কোম্পানির সকল প্রকার সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক (সিএসআর) কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের সুপারিশ করা হয়েছে উক্ত গবেষণায়। অবিলম্বে এই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হোক। |
||||
![]() | ||||