![]() |
||||
| E-newsletter: April 2021 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
বাজেটে সিগারেটের দাম বাড়ালে চোরাচালান ও অবৈধ বাণিজ্য বাড়বে এবং সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হারাবে মর্মে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে নীতিনির্ধারকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে তামাক কোম্পানিগুলো। গত তিন মাসে (ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং এপ্রিল) গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত ৩০০টির অধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। যদিও অন্যমাসগুলোতে এধরনের রিপোর্ট খুব একটা চোখে পড়ে না। বিশ্বব্যাংক কৃর্তক প্রকাশিত (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) Confronting Illicit Tobacco Trade: A Global Review of Country Experiences শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য ২৭টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম মাত্র ১.৮ শতাংশ এবং তামাকে বর্ধিত করারোপের সাথে অবৈধ বাণিজ্য বা চোরাচালান বৃদ্ধির তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য ১৭ শতাংশ, পাকিস্তানে ৩৮ শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ৩৬ শতাংশ এবং লাটভিয়ায় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ। সাধারণত একটি দেশে কোনো পণ্যের দাম পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় বেশি হলে সেখানে সংশ্লিষ্ট পণ্যটির চোরাচালান হয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে যেসব দেশে সিগারেট সবচেয়ে সস্তা বাংলাদেশ তারমধ্যে অন্যতম। এমনকি ভারতে সবচেয়ে কমদামি সিগারেটের মূল্য বাংলাদেশের কমদামি সিগারেটের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। সুতরাং বাংলাদেশে সিগারেটের দাম বাড়ালে সিগারেটের ব্যাপক চোরাচালান কিংবা অবৈধ বাণিজ্য হওয়ার আপাতত কোন সম্ভাবনা নেই। |
||||
![]() | ||||