![]() |
||||
| E-newsletter: September 2021 | ||||
|
|
||||
জনস্বাস্থ্য সবার উপরে
Eighth WHO Report on the Global Tobacco Epidemic, 2021-কে বিভ্রান্তিকর বলে ফেসবুক প্রচারণা চালাচ্ছে ভেপিং ব্যবসায়ীরা। তারা বলছে, “WHO এর বিতর্কিত ভূমিকা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে কোটি কোটি সাবেক ধূমপায়ীদের”। এর আগে WHO এর নাম এবং লোগো ব্যবহার করে ভ্যাপিং ব্যবসাকে হালাল করার চেষ্টা করেছে ‘ভয়েস অফ ভেপারস বাংলাদেশ’। চিকিৎসকদের আস্থা ভেপিং শিরোনামেও ক্যাম্পেইন চালিয়েছে তারা। এছাড়া ভেপিং সহায়ক নীতিমালা প্রণয়ন এবং স্বাধীন ইন্ডাষ্ট্রি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স এসোসিয়েশন (বেনডস্টা)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ই-সিগারেটসহ সকল ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট-কে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করলেও সিগারেটের নিরাপদ বিকল্প হিসেবে তরুণদের মধ্যে এসব পণ্যের ব্যবহার উৎসাহিত করতে আগ্রাসী প্রচারণা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আশংকার কথা হলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সিগারেটের বিকল্প হিসেবে ভেপিং কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এমন বার্তা প্রচারের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছে ভেপিং ব্যবসায়ীরা। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে ইতোমধ্যে ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ ৩২টি দেশ ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করেছে। দ্রুতততম সময়ের মধ্যে আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশেও এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ করতে হবে। |
||||
![]() | ||||